ভারত থেকে ১৯ দিনে ফিরেছেন ২৮০৩ জন

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দেশের খবর যশোর জেলার খবর

যশোর অফিস : ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞায় আটকা পড়াদের মধ্যে ১৯ দিনে দেশে ফিরেছেন ২ হাজার ৮০৩ জন। এর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন শেষে বাড়ি ফিরেছেন ৬৩১জন।

যশোর বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ওসি আহসান হাবিব বলেন, নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর ২৬ এপ্রিল থেকে ১৪মে পর্যন্ত কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশনের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নিয়ে ২হাজার ৮০৩ জন বাংলাদেশি বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন। ফেরত আসাদের মধ্যে করোনা পজেটিভ ছিল ১২ জন। অপরদিকে, বাংলাদেশে আটকা পড়াদের মধ্যে ২৮০ জন ভারতীয় দেশে ফিরে গেছেন।

যশোর শহর ও বেনাপোল স্থলবন্দর এলাকার ২৯টি হোটেল এখন কোয়ারেন্টাইন সেন্টার। এ হোটেলগুলোসহ বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ও অন্যান্য স্থানে ঈদের দিন পর্যন্ত মোট ৪শ’ ৪৫ জন ভারত থেকে আসা মানুষ কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন।

এছাড়া, যশোরের আশপাশের চার জেলার হোটেলগুলোও কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করা হয়েছে। জেলাগুলো হলো-সাতক্ষীরা, খুলনা, ঝিনাইদহ ও নড়াইল। ভারত ফেরত অন্যদেরকে এসব জেলায় পাঠানো হয়েছে।

যশোরের শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.ইউসুফ আলী বলেন, ভারত থেকে ফেরত আসাদেরকে বেনাপোল, যশোর, নড়াইল, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়ার বিভিন্ন হোটেল ও ঝিকরগাছার গাজিরদরগা মাদরাসায় ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে যারা করোনা আক্রান্ত কিম্বা উপসর্গ নিয়ে দেশে ফিরছেন তাদেরকে যশোর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে পাঠানো হচ্ছে। গত ১০ মে থেকে ১৪ মে পর্যন্ত ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন শেষে বাড়ি ফিরেছেন ৬৩১ জন।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. আশরাফুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ সরকার ভারতের করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট সংক্রমণ রোধে ২৬ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের জন্য ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরে আরও দুই সপ্তাহ এই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ানো  হয়েছে। ভারত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞায় আটকা পড়া বাংলাদেশির সংখ্যা দিন দিন কমতে শুরু করেছে। গত ১০ মে থেকে ১৪ মে বিকেল পর্যন্ত ভারত থেকে দেশে ফিরেছেন মাত্র ১২৩ জন।

এদিকে, কোয়ারেন্টিন শেষে ভারত ফেরতদেরকে যশোর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে বিদায় জানানো হয় এবং তাদের গাড়ির ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়া হয় বলে  জানা যায়।

শহিদ জয়/চারিদিক/সাকিব