অসুস্থ সাংবাদিক বিষ্ণুর বিএসএমএমইউতেও ধরা পড়েনি রোগ

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দেশের খবর

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট) : দীর্ঘ দুই মাসেও শারীরিক অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি কালের কণ্ঠের বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তীর। সর্বশেষ ঢাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ও (বিএসএমএমইউ) তার সুনির্দিষ্ট রোগ নির্ণয় করতে পারেনি।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ববধানে প্রায় ২০দিন চিকিৎসা গ্রহন করেন তিনি। কিন্তু কি রোগ তার শরীরে বাসা বেধেছে তা এখন পর্যন্ত অজানা! অবশেষে গত ৬ এপ্রিল বিএসএমএমইউ থেকে রিলিজ নিয়ে বাগেরহাটের বাসায় ফিরে আসেন তিনি।

অসুস্থ সাংবাদিক বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তী বলেন, গত ১৬ মার্চ বাগেরহাট থেকে হেলিকপ্টাযোগে (এয়ার অ্যাম্বুলেন্স) আমাকে ঢাকায় নিয়ে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বোর্ড বসিয়ে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। কিন্তু কোনো রোগ নির্ণয় করতে পারেননি। সর্বশেষ পরীক্ষার জন্য আমার মেরুদন্ড থেকে লালা নিয়েছেন চিকিৎসকরা। সেই টেস্টে রিপোর্ট একমাস পরে পাওয়া যাবে। ওই রিপোর্টে সুনির্দিষ্ট কোনো রোগের লক্ষণ পাওয়া যাবে কি না তাও বলা যাচ্ছে না। এ অবস্থায় চিকিৎসকরা একপ্রকার অসহায় হয়েই আমাকে রিলিজ দিয়েছেন। মাসখানেক পর আবার বিএসএমএমইউতে যেতে হবে আমাকে। পাশাপাশি আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ারও প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে, সাংবাদিক বিষ্ণু প্রসাদের চিকিৎসায় সহযোগিতা চেয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন বাগেরহাটের সাংবাদিক নেতারা। তারা তাদের সহকর্মীকে উন্নত চিকিৎসায় প্রয়োজনে বিদেশে নেওয়ারও দাবি জানান ওই আবেদনে।

উল্লেখ্য, সাংবাদিক বিষ্ণু প্রসাদ চক্রবর্তী গত ৭ ফেব্রুয়ারি বাগেরহাট সদর হাসপাতালে করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করেন। এর পর থেকে তার শরীরে নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও উপসর্গ দেখা দেয়। এ সময় তাকে জেলা সদর হাসপাতাল, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও সর্বশেষ গত ১৬ মার্চ হেলিকপ্টারে বাগেরহাট থেকে নিয়ে ঢাকা বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়।

চারিদিক/সাকিব