যুবলীগ নেতা ও ইউপি চেয়াম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

অপরাধ ও আইন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল দেশের খবর

মহিদুল ইসলাম, শরণখোলা (বাগেরহাট) : বাগেরহাটের শরণখোলায় উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে আওয়ামীলীগ। বাবুল খান (৫০) নামে আওয়ামীলীগের এক কর্মীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে এই মানববন্ধন করেন দলের একাংশের নেতাকর্মীরা।

লাঞ্ছনার শিকার বাবুল খান উপজেলা ৪নম্বর খাদা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলা সদর রায়েন্দা বাজারের শের-এ বাংলা সড়কে এই ঘটনা বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে তিনি শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

শুক্রবার সকাল ১১ টায় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের ব্যানারে শরণখোলা প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন, আওয়ামীলীগ নেতা জালাল আহম্মেদ রুমী ও সরোয়ার আহম্মেদ তালুকদার।

এছাড়া, কর্মসূচীতে শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত, ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মুক্তা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম খোকন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহম্মেদ মুক্তাসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া দলের নেতাকর্মীরা জানান, রায়েন্দা ইউনিয়ন পরিষদের ভবন নির্মানের জন্য খাদা এলাকায় ক্রয়কৃত জমির মধ্যস্থতা করেন আওয়ামীলীগ কর্মী বাবুল খান। জমির দাতা পক্ষের মধ্যে বিরোধের কারনে ওই জমি বুঝে না পওয়ায় ক্ষিপ্ত হন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন। বৃহস্পতিবার রাতে চেয়ারম্যান মিলন বাবুল খানকে রায়েন্দা বাজারের শের-এ বাংলা সড়কে ডেকে জমি বুঝিয়ে না দেওয়ার কারণ জানতে চেয়ে তাকে মারধর করে আহত করেন।

এব্যাপারে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মুক্তা বলেন, দলীয় প্রতীক নৌকা পেয়ে নির্বাচিত হয়ে আওয়ামীলীগ কর্মীকে মারধর করে চরম অপরাধ করেছেন চেয়ারম্যান। দলের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

তবে, চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষ আজমল হোসেন মুক্তা রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছেন। আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করতে এই ঘটনা সাজানো হয়েছে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুর রহমান জানান, এ ব্যাপারে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। পেলে আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।